২০১০ সালের বড়দিনের অনুভূতি!
উত্তরে হাজার মাইলজুড়ে বরফে ঢাকা উত্তরের দেশ, বিস্তীর্ণ তুষারপাতের চাদরে মোড়া… দক্ষিণের দেশে বসন্তের উচ্ছ্বাস, পাখির কুহুতান আর ফুলের সৌরভ… ২০১০ সালের বড়দিন এসে গেছে!
এই শুভ বড়দিনের মুহূর্তে—আইভান বলছে: সকল পাঠকপ্রিয়জন, বড়দিনের শুভেচ্ছা! আমি আপনাদের ভালোবাসি… আপনাদের সকলকেই! আমি আপনাদের সবাইকে ভালোবাসি—তবে আরও বেশি ভালোবাসি আপনাদের দেওয়া ভোট, সংরক্ষণ, মাসিক টিকিট, ফুল আর পুরস্কার… আহা, আইভান কি খুবই নির্লজ্জ নয়? তাহলে নির্লজ্জতাই আরও প্রবল হোক!
একটি জরুরি সংবাদ আছে, আইভান সবাইকে মনে করিয়ে দিচ্ছে—সাম্প্রতিক সময়ে একটু সতর্ক থাকুন…!
তিনজন লোক আপনার ঠিকানা খুঁজে বেড়াচ্ছেন, তারা আপনার দরজায় এসে হাজির হবেন! কিন্তু ভয় নেই, আসলে আপনারা আগেই বুঝে গেছেন—তারা হলো: সুখ, সম্পদ আর আনন্দ! তার সঙ্গে আইভান যোগ করলো: টাকা, সুন্দরী নারী এবং ক্ষমতা! হা হা! নারী পাঠিকা হলে? তাহলে যোগ করুন: টাকা, সুদর্শন পুরুষ আর রাজপুত্র! হো হো হো!
【২০১০ সালের বড়দিনের অনুভূতি (অনুগ্রহ করে আবেগঘন সুরে পাঠ করুন)】
রঙিন তুষারফুল, সাদা শীত… রক্তিম বড়দিন, উষ্ণ ঋতু… এই শান্ত মুহূর্তে বড়দিন এসে গেল—আইভান আন্তরিক শুভেচ্ছা জানায় আপনাদের বড়দিনের শুভেচ্ছা!
একদিন আমার লেখার টেবিলের বাতি জ্বালালাম (আহা, অনেক টাকা দিয়ে কিনেছি)… টেবিলবাতি বলল, ছোট আইভান, আমি মহান বাতিদেবতা, তোমার একটি ইচ্ছা পূরণ করতে পারি! আমি উত্তেজনায় বললাম: কি? মাত্র একটি? আমি তো চাই টাকা, সুন্দরী আর ক্ষমতাও… তবে দয়া করে আমার পাঠকদের বড়দিনের শুভেচ্ছা দাও!
হয়তো নেই জমকালো আলোকসজ্জা কিংবা নরম সুরের নাচ-গান… শুধু রয়েছে আমার মৃদু শুভেচ্ছা: মেরি ক্রিসমাস!
তুষার পড়ে, হরিণের ঘণ্টা বাজে, মধুর শান্তির রাত আবার এলো! দুষ্ট হাত নেড়ে, বাতাসে নাচে… আনন্দময় বড়দিন সত্যিই মনোমুগ্ধকর!
প্রতিটি তুষারফুলের পতনে, প্রতিটি আতশবাজির ঝলকে, প্রতিটি মুহূর্তের প্রবাহে, প্রতিটি মনের টানে… প্রতিটি শুভেচ্ছা পাঠাচ্ছি আপনাদের জন্য: বড়দিনের শুভেচ্ছা!
হয়তো সময় নীরবে স্মৃতিকে মলিন করে, হয়তো দুরত্ব আমাদের আলাদা করে রাখে—তবু আইভান সবচেয়ে বেশি মূল্য দেয় আপনাদের ভালোবাসা, বন্ধুত্ব আর যত্ন… আবারও বলি: বড়দিনের শুভেচ্ছা!
তারাগুলো নিঃশব্দে পেরিয়ে যায়, যেন আমার নাকের জল গড়িয়ে পড়ে! (হ্যাঁ, সর্দি, কিছু বলার নেই…) নাক মুছে, আইভান আবার গর্জে বলে: বড়দিনের শুভেচ্ছা!
আমার আবেগকে রূপান্তর করি গোলাপে… আইভানের লেখা হয়ে উঠুক মিষ্টি ক্যান্ডি, জেলি—আশা করি আমার কথাগুলো আপনাদের সুখ আর মধুরতা দেবে!
শান্তির রাতে, নাচের মাধুর্যে… তুষার উড়ে, আকাশ ভরে যায়… হৃদয়ে হৃদয়ে চিরসূত্র… আমি আর আপনার মনের বন্ধনে আবদ্ধ!
তারাগুলো আমার চোখ—আমি ভালোবাসায় আপনাকে দেখছি… চাঁদের আলো আমার আত্মা—চিরকাল আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই: বড়দিনের শুভেচ্ছা! (আসলে আইভান পুরুষালি! উপরের শুভেচ্ছাগুলো নারী পাঠিকাদের জন্য উপযুক্ত!)
সময় আঙুলের ফাঁক গলে যায়, তুষার ঘণ্টার শব্দে নেমে আসে… বড়দিনের ঘণ্টাধ্বনি বাজে, শুভেচ্ছার সুর ভেসে যায় দূরে…
এই শুভ দিনে, নেই সবচেয়ে সুন্দর শব্দ, নেই আবেগময় বাক্য, নেই দৃষ্টিনন্দন উপহার—শুধু আছে আইভানের গভীর শুভেচ্ছা: বড়দিনের শুভেচ্ছা!
একটি সুন্দর ইচ্ছা করি, বড়দিনে আপনার আনন্দ বারবার ফিরে আসুক… অপূর্ব অনুভূতি দিই, আপনি সবসময় পূর্ণতা পান… কল্পনার এক চমৎকার উপহার, আপনার মুখে এনে দিক মিষ্টি হাসি!
আমি হয়ে উঠতে চাই বড়দিনের গাছে নরম তুষার, আপনাকে পাঠাই উষ্ণ শুভেচ্ছা… আমি হয়ে উঠতে চাই শান্তির রাতের সুরেলা ঘণ্টা, আপনাকে পৌঁছে দিই শান্তির বার্তা!
বড়দিনের গাছ জ্বলে উঠেছে, অগণিত তারা আলোকিত, আকাশে লেখা হলো কুইডিয়ান উপন্যাস—‘আমার গুরু হচ্ছেন ওয়াং ইউয়ান’-এর নাম… যখন উল্কাপাত হয়, আমার মনের টান ও শুভেচ্ছা একসঙ্গে নিয়ে যাক: বড়দিনের শুভেচ্ছা!
আনন্দময় বড়দিন! কী বড়দিনকে আনন্দময় করে? শুধু সূর্যরশ্মি কিংবা পাখির কুহুতান নয়… বরং আনন্দময় চিন্তা ও সুখী হাসি, আর স্নেহময় শুভেচ্ছা!
বড়দিনের গাছের পাশে নিরবে ইচ্ছা করি—এই শান্ত রাতে আমার মনের টান যেন ভেসে আসে আপনার কাছে, আমাদের বড়দিনের রাত হোক অপরূপ!
আমি হতে চাই বড়দিনের গাছে নরম তুষার, আপনাকে পাঠাই উষ্ণ শুভেচ্ছা! আমি হতে চাই শান্তির রাতের সুরেলা ঘণ্টা, আপনাকে পৌঁছে দিই শান্তির বার্তা!
পুনশ্চ:
বড়দিনের গাছের পাশে নিরবে ইচ্ছা করি… আবার গাছের নিচে দাঁড়িয়ে জোরে বলি: বিড়াল খায় মাছ, কুকুর খায় মাংস, আল্ট্রাম্যান মারে দুষ্ট দানব… পৃথিবীর সবচেয়ে আনন্দের বিষয়—লেখার সাবস্ক্রিপশন থাকে, নিয়মিত পুরস্কার আসে, প্রতিদিন মাসিক ভোট আসে! সুখ মানে—ঘুম থেকে ওঠা নিজের ইচ্ছায়, টাকা গুনতে গুনতে হাত ব্যথা! সকল পাঠকপ্রিয়জন, আমাকে একটু সুখী হতে দিন! সংরক্ষণ, ভোট, ফুল, পুরস্কার—সবই চাই!
বিশেষ কৃতজ্ঞতা জিনহুয়ান বড় ভাইয়ের প্রতি! তাঁর নতুন উপন্যাস ‘কর্মপথ’ আপনাদের জন্য সুপারিশ করছি! ‘ওয়াং ইউয়ান’-এর পাঠকরা অবশ্যই সমর্থন করবেন! সংরক্ষণ তো খুব কঠিন নয়, তাই তো?