তপস্বী পর্বত থেকে নেমে আসে, শতবার রক্তিম ধূলি-ময় পৃথিবীতে নিজেকে গড়েছেন। এই জাগতিক ভোগ-বিলাসের সকল কোলাহলে, আমার হৃদয় নির্ভীক ও অটুট। আমি নদী-নালার জগতে নেই, তবু সেখানে আমার কাহিনি ছড়িয়ে আছে। তুষারপর্
স্বচ্ছ দিনের আলো, বিশাল পর্বতশ্রেণী।
মৃদু ঘন্টার শব্দ পাহাড়ের মধ্যে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।
সকালের সময়, ইতিয়ান পর্বতে তিনবার ঘন্টা বাজল এবং মানুষের ছায়া খেলা করছে।
ইতিয়ান ডাওর শিষ্যরা দিনের প্রার্থনা ও প্রশিক্ষণ শুরু করলেন।
ইতিয়ান ডাওর শিক্ষাদান সেনাপতি মু লিংশু বিশাল মাঠে হেঁটে বেড়াচ্ছেন, হাত পিছনে পিছনে রেখে উচ্চস্বরে বলছেন, মাঠের মধ্যে থাকা শিষ্যদের দিকে বারবার তাকাচ্ছেন।
‘‘ধাম্ম হলো সঠিক পথ।’’
‘‘পাপ হলো পার্শ্বপথ।’’
‘‘সঠিক পথ হলো মানব থেকে স্বর্গীয় পথে। উন্নতি লাভ।’’
‘‘পার্শ্বপথ হলো প্রাণী থেকে মানব পথে আগ্রাসন।’’
‘‘সঠিক পথের নিয়ম আছে, পার্শ্বপথের কৌশল আছে—এগুলো মেশানো যায় না।’’
এই সময়ে, মাঠের মধ্যে থেকে এক যুবক হঠাৎ কথা বলল: ‘‘মু লংকে জানতে চাই, পৃথিবীতে সত্যিই কি রক্ষক বিদ্যমান?’’
সেই যুবকের বয়স প্রায় পনেরো-ষোলো বছর।
কালো চকচকে লম্বা চুল একটি পিনে বেঁধে আছে, ভ্রু লম্বা, নাক চকচকে, চোখে কিছু লাল রেখা দেখা যাচ্ছে।
তার মুখহীন ফ্যাকাশে, সাধারণ মানুষের মতো নয়; চেহারা ছুরি দিয়ে কাটা মতো সুন্দর, দূর থেকে দেখলে রোগাক্রান্ত সৌন্দর্য বহন করে।
সে সেখানে দাঁড়ায়, ঠোঁট বন্ধ করে—একটি অবর্ণনীয় ভাব বহন করছে।
মু লিংশু যুবকের কণ্ঠস্বর শুনে তার দৃষ্টি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার দিকে নিয়ে গেল।
মু লিংশু-এর মুখে কোনো অতিরিক্ত ভাব নেই, ধীরে ধীরে বললেন:
‘‘রক্ষকের সুর মৃদু, মানুষ কেবল নাম শুনে, কিন্তু তাদের আচার্য দেখে না।’’
‘‘কিন্তু... মানুষ রক্ষককে না দেখলেও তারা অস্তিত্বে নেই বলে মানা যায় না।’’
‘‘আমাদের ইতিয়ান ডাওর স্থপতি তাইহে জিন, ত্রিশ বছর বয়সের আগে কেবল এক সাধারণ মানুষ ছিলেন; ত্রিশ বছরে পাহাড়ের মধ্যে ঔষধ সংগ্রহ করার সময় এক রক্ষককে দেখলেন, রক্ষকের উপদে